মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৫

ভালবাসার গভীরতা



আজ রাতে যে মেয়েটি মারা যাবে তার পছন্দের ফুল জবা তার ক্যাবিনে অনেক গুলো জবা ফুল সাজিয়ে রাখা হয়েছে এই কাজটি যে করেছে তার দুটি পরিচয় আছে প্রথমটি হল তিনি এই রোগীটির ডাক্তার দ্বিতীয়টি হল এই মেয়েটি তার স্ত্রী গতকাল বিয়ে করেছেন একজন মৃত্যুপথ যাত্রিকে বিয়ে করার বিষয়টিকে তিনি পাগলামি মনে করছেন না এই মেয়েটি তার সাথে সাতশ তেরো রাত জেগে ছিল ভোরের দিকে যখন সে ঘুমিয়ে যেত তখনও মেয়েটি ফোন সেট কানে দিয়ে রেখেছে মাঝে মাঝে ঘুমের ভেতরে তার কথা বলার অভ্যাস; তখন মেয়েটি ফিসফিস জবাব দেয়; ‘ভয় পেও না, আমি আছি বছর তিনেক আগে তার বাবা রোড এক্সিডেন্টে মারা গেলেন মেয়েটি তাকে সান্ত্বনা দিতে এসে নিজেই কেঁদে অস্থির একদম চোখ ফুলিয়ে, কিছু না খেয়ে থাকল দু দিন কুরআন খতম দিল শেষ রাতে ওজু করে তাহাজ্জুদের নামজ পড়ে বলেছে ' ‘ভয় পেও না, আমি আছিমেডিক্যাল হোস্টেলে থাকা অবস্থায় এই মেয়েটি প্রতি রবিবার তার হাতের রান্না টিফিন ফ্লাক্সে করে দিয়ে যেত এক্সামের আগে একটা একটা চ্যাপটার মুকস্ত করে তাকে পড়া দিতে হত একজন সারারাত পড়েছে; সে ডাক্তার হবে অন্যজন সারা রাত জেগেছে সে কাছের মানুষটিকে সফল দেখতে চায় এই মেয়েটিকে সে অনেকবার কথা দিয়েছে পকেটে যখন টাকা ছিল না তখন দিয়েছে, রবিবার টিফিন ফ্লাক্স হাতে পেয়ে কথা দিয়েছে একশ চার ডিগ্রী জ্বর নিয়ে কথা দিয়েছে; এই মৃত্যু পথ যাত্রী মেয়েটিকে বিয়ে করার বিষয়টিকে তিনি মোটেও পাগলামি মনে করছেন না আজ রাতে এই মেয়েটিকে বারবার বলা দরকার , ‘ভয় পেও না, আমি আছি’ ......কোন এক যুদ্ধে একজন যোদ্ধা গুলি খেয়ে মাটিতে পরে গেল তার পাশের সৈনিক তাকে যখন কাঁধে নিয়ে নিরাপদ জায়গায় যাবার চেষ্টা করছিল তখন তাদের ক্যাপ্টেন তাকে নিষেধ করল ''যে গুলি খেয়েছে সে এমনিতেই মারা যাবে; তাকে বাঁচাতে গিয়ে তুমি নিজেও মারা যাবে'' সৈনিকটি ক্যাপ্টেনের কথা না শুনে আহত যোদ্ধাকে কাঁধে নিয়ে ছুটলেন যুদ্ধ শেষ হল আহত যোদ্ধাটি একসময় মারা গেল; ক্যাপ্টেন তাকে বলল, ''তাকে কাঁধে নিয়ে এত রিস্ক নিয়ে কী লাভ হয়েছে? সে তো ঠিকই মারা গেল'' সৈনিকটি জবাব দিল, ''অনেক কিছুই হয়েছে মরে যাবার আগে তার শেষ কথা ছিল - বন্ধু আমি জানি তুমি ঠিকই আমার পাশে থাকবে'' সুনীলের কেউ কথা রাখে না কবিতার ভিড়েও কেউ কেউ ঠিকই আছে, যারা মানুষকে দেয়া কথা গুলো রাখার সময় ক্যালকুলেটার নিয়ে প্লাস মাইনাস হিসেব করে না হিসেব জানা ভাল নাহলে বাজারের বিক্রেতা ঠকিয়ে দিবে সবাই বিক্রেতা না সবাই তোমার কাছে বাণিজ্য করতে আসে নি কেউ দুচোখে কাপড় বেধে অন্ধের মত ভালবাসতে এসেছে ; তার সাথে বাণিজ্যে যেও না হিসেব করে ব্যবসা হয় ; ভালবাসা না

বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৫

These “emotional heat maps” provide a glimpse into where people feel things.


People were asked where they felt certain emotions. Areas of increased activity were colored to look like fire, and areas of decreased activity look like ice.These “emotional heat maps” provide a glimpse into where people feel things. But there’s a lot more to an emotional story than location. What precipitated the emotion? How did it feel? How much did you allow yourself to feel it?If you didn’t feel the whole thing, did it simply vanish, or is it still waiting there, crouched in your knees or heart or stomach, smoldering and fidgeting?This gif was created by me from materials inside a scientific paper written by Lauri Nummenmaa, Enrico Glerean, Riitta Hari, and Jari K. Hietanen.

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

ওডেস্কে যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়

অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়ার-নেওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে অনেক সময় কাজদাতাদের কাছে স্প্যাম ও কপি-পেস্ট করা কভার লেটার চলে যায়। এগুলোর হাত থেকে বাঁচতে এবং মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) দক্ষতা যাচাই করতে কাজ দেওয়ার সময় কিছু প্রশ্ন রেখে দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। প্রশ্নগুলোর উত্তর দেখেই কাজদাতা বা ক্লায়েন্ট বুঝতে পারে কাজটি কারা করতে পারবে। নতুন ফ্রিল্যান্সাররা অনেক সময় প্রশ্নগুলো বুঝতে পারেন না। তাই তাঁরা প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর দিতে পারেন না, ফলে কাজ পান না। ওডেস্ক জব পোস্টে সাধারণত যে ধরনের প্রশ্ন থাকে—
১. প্রজেক্টটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য আপনার কোনো সাজেশন আছে কি?
২. এই কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো ওডেস্ক টেস্ট কি দিয়েছেন এবং সেগুলোতে কি ভালো করেছেন?
৩. এই কাজের কোন অংশটুকু আপনার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় মনে হচ্ছে?
৪. ঠিক এ রকম কোনো প্রজেক্টে কি আগে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে, যদি থাকে তবে কেন কাজটি করেছিলেন?
৫. প্রজেক্টের কোন অংশটি সম্পন্ন করতে সবচেয়ে বেশি সময় লাগবে বলে আপনার মনে হয়?
৬. এই প্রজেক্ট নিয়ে কোনো প্রশ্ন আছে কি?
এখানে এমন কোনো প্রশ্ন নেই যা সহজে বোঝা যায় না। যারা কাজটি ভালোভাবে বুঝবেন এবং করতে পারবেন তাঁরা অবশ্যই এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারবেন। যাঁরা কাজটি ভালোভাবে বুঝতে পারেননি বা করতে পারবেন না তাঁরা হয়তো এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারবেন না। তাই আপনার যদি কাজ জানা থাকে তাহলে কভার লেটার লিখতে এবং কাজ পেতে কোনো সমস্যা হবে না।

উইন্ডোজ ১০–এর কি–বোর্ড শর্টকাট

উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে বেশ কিছু কি-বোর্ড শর্টকাট রয়েছে। এই কি-বোর্ড শর্টকাটগুলো উইন্ডোজ ১০-এর পাশাপাশি ৭ বা ৮.১-এও চলবে।

নতুন বৈশিষ্ট্যগুলোর শর্টকাট
Windows key + A: অ্যাকশন সেন্টার খুলবে।
Windows key + C: করটানা কণ্ঠ নির্দেশনার জন্য তৈরি হবে।
Windows key + I: সেটিংস অ্যাপ্লিকেশন খুলবে।
Windows key + S: করটানা চালু হবে।
Windows key + Tab: টাস্ক ভিউ দেখা যাবে।
Windows key + Ctrl + D: নতুন ভার্চুয়াল ডেস্কটপ তৈরি হবে।
Windows key + Ctrl + F4: চালু থাকা ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বন্ধ হবে।
Windows key + Ctrl + left or right arrow: ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বদলাবে।
সাধারণ শর্টকাট
Windows key (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ): স্টার্টমেন্যু খুলবে/বন্ধ হবে।
Windows key + X (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০): স্টার্ট বোতামে ডান ক্লিক করলে যে মেন্যু আসে, তা দেখা যাবে।
Windows key + left or right arrow (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ): চালু থাকা উইন্ডোর ডানে-বাঁয়ের পর্দাজুড়ে দেখা যাবে।
Windows key + E (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ): দ্রুত ফাইল এক্সপ্লোরার চালু করে ফাইলপত্রের কাজ করা যাবে।
Windows key + L (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ): ডেস্কটপ লক করা যাবে।
Alt + PrtScn (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ): চালু থাকা উইন্ডোর স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে, ক্লিপবোর্ডে কপি করা যাবে।
Windows key + Printt Screen (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০): ডেস্কটপের পুরো পর্দার ছবি (স্ক্রিনশট) নেওয়া যাবে। এগুলো জমা হবে ComputerPicturesscreenshots ফোল্ডারে।
ব্রাউজার-ভিত্তিক শর্টকাট (এজ এবং অন্যান্য)
Ctrl + T: নতুন ট্যাব খুলবে।
Ctrl + D: ওয়েবপেজ চিহ্নিত (বুকমার্ক) করা যাবে।
Ctrl + L: বর্তমানে চালু থাকা ওয়েব ঠিকানা নির্বাচন করবে, ফলে দ্রুত নতুন ঠিকানা লিখতে বা সেটা কপি করতে কাজে লাগবে।
Ctrl + Tab: চালু থাকা ট্যাবে একটা থেকে অন্যটায় যাওয়া করা যাবে।
Ctrl + Enter: ব্রাউজারের ওয়েব ঠিকানা লেখার ঘরে শুধু মূল ঠিকানা লিখে কন্ট্রোল + এন্টার চাপলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে www. এবং .com যুক্ত হয়ে যাবে। যেমন google লিখে Ctrl + Enter চাপলে সেটা www.google.com হয়ে যাবে।
কি-বোর্ড শর্টকাট পাওয়া যাবে https://goo.gl/hYKHFa ঠিকানায়।

অনলাইনে কাজ পাওয়ার কিছু কৌশল


ইন্টারনেটে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়া-নেওয়ার ওয়েবসাইট (অনলাইন মার্কেটপ্লেস)। মুক্ত পেশাজীবীরা (ফ্রিল্যান্সার) এসব সাইট থেকে কাজ নিয়ে থাকেন। কিছু কৌশল জানা থাকলে কাজ পাওয়াটা হয় সহজ।

  • কেউ কেউ আছেন, যাঁরা চার-পাঁচটা কাজের (জব) জন্য আবেদন করেই কাজ পেয়ে যান। আবার কেউ কেউ আছেন, যাঁরা ১০০টা আবেদন করেও পান না। এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কত কম অর্থে (ডলার) কাজটি করে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তার ওপর।
  • যেসব বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড না, তাদের কাজে আবেদন করবেন না। কারণ, কোনো কনট্রাক্টরকে ভাড়া করতে হলে বায়ারের পেমেন্ট মেথড ভেরিফায়েড হতে হয়।
  • কোনো একটা কাজ দেওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সেটিতে আবেদন করবেন ততই ভালো। তবে আবেদন করার সময় কাভার লেটারটি এমনভাবে লিখবেন, যেন বায়ার বুঝতে পারে আপনি কাজটির বর্ণনা পড়েছেন এবং তা করতে পারবেন।
  • আপনি যত বেশি মার্কেটপ্লেসে থাকবেন, ততই আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা। কারণ, কিছু কিছু কাজ আছে যেগুলো মার্কেটপ্লেসে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (এক-দুই ঘণ্টার মধ্যে) সম্পন্ন করে জমা দিতে হয়। যেমন ফেসবুকে বা অন্য কোনো সাইটে ভোট দেওয়া এবং কিছু ভোট সংগ্রহ করে দেওয়া বা হঠাৎ করে কোন ওয়েবসাইটে সমস্যা হয়েছে, তা ঠিক করে দেওয়া ইত্যাদি। কাজেই শুরুতে বেশি সময় অনলাইনে থাকার চেষ্টা করুন, যাতে বায়ার আপনাকে কোনো বার্তা পাঠালে সঙ্গে সঙ্গেই আপনি তার জবাব দিতে পারেন। তাহলে বায়ার বুঝতে পারবে, আপনি কাজের প্রতি আন্তরিক।
  • অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দেখবেন, প্রতি মিনিটে নতুন নতুন কাজ দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোতে আবেদন করুন। যেসব কাজে কোনো কনট্রাক্টরের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে, সেসবে আবেদন না করাই ভালো।
  • যেসব কাজে শর্ত দেওয়া রয়েছে, আর সেগুলো যদি আপনি পূরণ করতে না পারেন, তবে সেসব কাজে আবেদন না করাই ভালো। যেমন Feedback Score: At least 4.00 এবং oDesk Hours: At least 100 hour।
  • যাঁরা ওডেস্কে দু-তিনটা কাজ করেছেন, এখন বেশি ডলার দাম ধরে আবেদন করতে চান, তাঁরা যে কাজের জন্য আবেদন করবেন, তার নিচে দেখুন বায়ারের আগের কাজগুলোর তালিকা দেওয়া আছে। সেখানে যদি দেখেন, বায়ার তার আগের কাজগুলোতে বেশি ডলার দিয়ে অন্য কনট্রাক্টরকে কাজ দিয়েছিল, তবে বেশি ডলার হারে আবেদন করতে পারেন।
   

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

রাগ নিয়ন্ত্রণের উপায়

রাগ হওয়া স্বাভাবিক। আর রাগ হলে তা প্রকাশ করাটাও স্বাভাবিক। হাসি, কান্না, ঈর্ষার মতোই রাগ মানুষের প্রাকৃতিক আবেগ। যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি, যেখানে নিজের প্রতি অন্যায় হওয়ার আশঙ্কা আছে, সেখানে রাগ একেবারেই সহজাত একটি প্রতিক্রিয়া। তবে সমস্যাটা তখনই হয় যখন এই রাগ চলে যায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং তার প্রভাব পড়ে কাজকর্মে, ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো কাজ শেষ করার তাগিদ কিংবা বড় কোনো দায়িত্বের মারাত্মক চাপে আপনার মেজাজ বিগড়ে যেতে পারে। তবে এই রাগ থেকে আপনার ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ  পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের শিক্ষক জোসেফ শ্র্যান্ড:

 রাগ শনাক্ত করুন: নিজের রাগের মাত্রা সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। রাগান্বিত অবস্থায় আপনাকে কেমন দেখাচ্ছে, তা জানতে সহকর্মী বা আশপাশের কাউকে জিজ্ঞেস করুন।
কল্পনা করুন আপনাকে নিয়ে অন্যদের ঈর্ষার কথা: কেন আপনার রাগ হচ্ছে, ভেবে দেখুন। যদি কারও প্রতি ঈর্ষাই আপনার রাগের কারণ হয়, তাহলে কল্পনা করুন, সেই ব্যক্তিটিই আপনার প্রতি একই রকম ঈর্ষা বোধ করছে।
 সন্দেহের অনুভূতি: সন্দেহের অনুভূতি নিয়ে উদ্ভাবনীমূলকভাবে চিন্তা করুন যে আপনার ওপরও কেউ একজন প্রচণ্ড রেগে আছে। তাই এসব বাদ দিয়ে সবাই একসঙ্গে কাজ করার উপায় তো বের করতেই হবে।
 শান্তি প্রকল্প: অন্যের কাছ থেকে যে রকম আচরণ প্রত্যাশা করেন, আপনি নিজেই সেটি করছেন না কেন? সুন্দর আচরণের মাধ্যমে সম্মিলিত কর্মপরিবেশ তৈরি করুন।
 সহানুভূতি: রাগ প্রশমিত হয়ে গেলে নির্দিষ্ট ব্যক্তির প্রতি একধরনের সহানুভূতি হয়। সেটি ধরে রাখার চেষ্টা করুন।
 স্পষ্ট আদান-প্রদান: সহকর্মীসহ সবার প্রতি সহানুভূতিশীল হোন। ভাব বিনিময়ে স্পষ্টতা অবলম্বন করুন।

 ব্যায়াম: রাগ কমাতে ব্যায়ামের জুড়ি নেই। রাগ হলে শরীরে যে হরমোনগুলো নিঃসৃত হয়, ব্যায়াম করলে সেগুলো কমে যায়। যে অতিরিক্ত এনার্জি আপনার মধ্যে তৈরি হয়েছিল তা রিলিজ হয়ে যায়। পেশির টেনশন কমে যায়। শরীর-মন শান্ত হয়ে আসে। রাগের যে বিস্ফোরণটা হতে পারত সেটা আটকানো যায়। মেডিটেশন করলেও মনের ওপর ভালো প্রভাব পড়ে।
অনুভূতি লিখুন: রাগ হলে ঠিক কী রকম মনে হয়, তা লিখে রাখুন। এ কাজের জন্য একটা ডায়েরি রাখতে পারেন। রোজ যে ঘটনাগুলোর কারণে আপনার মাথা গরম হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে রাখুন। আপনি যেভাবে প্রতিক্রিয়া করেছেন, সেগুলোও লিখে রাখুন। মাথা ঠাণ্ডা থাকলে একই পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রতিক্রিয়া করতেন সেটা কল্পনা করার চেষ্টা করুন। এবার আপনার এই দুই ধরনের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে তুলনা করলেই আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন, কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল।
হিউমার: রাগ কমাতে ‘হিউমার’ কিন্তু খুব ভালো কাজ করে। রাগ হলেই সাথে সাথে যদি কোনো মজার এসএমএস বা ইমেইল দেখে নেন, তাহলে কিন্তু রাগ কমতে বাধ্য। হাতে সময় পেলে হাসির বই পড়ুন বা সিনেমা দেখুন। দেখতে পারেন কার্টুনও।
আচরণে পরিবর্তন
নিজের আচরণ পরিবর্তনের চেষ্টা করতে পারেন। যদি দেখেন সবার সাথেই আপনার ঝামেলা হচ্ছে, কারো কোনো কথাই আপনি মেনে নিতে পারছেন না, তাহলে বুঝতে হবে আপনারই কোথাও ভুল হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টানো দরকার।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

যদি সুস্থ থাকতে চান, আপনার খাদ্যাভ্যাস অবশ্যই স্বাস্থ্যকর হতে হবে। আর সেজন্য খাবারের পুষ্টিমান নিশ্চিত করা জরুরি। আমরা প্রায় সবাই জানি, তরতাজা শাকসবজি ও সালাদের মতো খাবার ভালো। কারণ এতে মিষ্টি বা অন্যান্য খাবার মাত্রাতিরিক্ত খাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব কমে যায়। কিন্তু এখন আপনি যে খাদ্যাভ্যাস ধরে রেখেছেন, সেটা হঠাৎ করে পাল্টানোর উপায় কী?
সুস্বাস্থ্যের জন্য আপনি নিয়মিত ব্যায়াম, বাছাই করা খাবারদাবার, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের কৌশল জেনে নেওয়া অথবা বাজে অভ্যাসগুলো ছেড়ে দেওয়ার মতো নানা বিষয় রপ্ত করেছেন। অভ্যাস পাল্টানো সত্যিই কঠিন, কিন্তু অসম্ভব তো নিশ্চয়ই নয়।
খাবারে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি বেশি বেশি শরীরচর্চা করুন, মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন, আরও পরিপূর্ণ জীবন যাপন করুন।
চর্বিযুক্ত দুধ বর্জন
এতে আপনার খাদ্যতালিকা থেকে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ কমবে এবং শরীর থেকে ক্যালরিও ঝরাতে পারবেন। ১ শতাংশ বা চর্বিমুক্ত দুধ পান করুন। অথবা দই খান।
লবণের ওপর নিয়ন্ত্রণ
লবণ যতটা সম্ভব কম খেতে হবে। একেবারে লবণ ছাড়া খাওয়ার চেষ্টা করে দেখুন, একেবারেই কি অসম্ভব? মনে হয় না। চেষ্টায় সবই হয়। প্রয়োজনে বাসার লবণদানি খালি করে ফেলুন।
বাদাম ও বীজ খান
কাজুবাদাম, চীনাবাদাম, কাঠবাদাম, শিমের বীজ ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন ই, ফলিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম ও আঁশ বা তন্তু রয়েছে। কয়েক রকমের বাদামে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকলেও তা মূলত অসম্পৃক্ত। তাই বাদাম একটি স্বাস্থ্যকর পছন্দ।
এক দিন দুপুরের ভারী খাবার বাদ
সপ্তাহে এক দিন দুপুরের নিয়মিত খাবারের বদলে অন্য কিছু খান এবং পরিমাণে কম খান। বাইরে কোথাও গেলে আপনি নিশ্চয়ই এমনটা করেন। এতে বৈচিত্র্য যেমন আসে, রুচিরও একটু বদল হয়।
দিনে অন্তত পাঁচ রকমের শাকসবজি ও ফলমূল
এতে আপনার খাবারে পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ যেমন বাড়বে, ক্যালরির পরিমাণও কমবে। হিসাব করে দেখুন, সপ্তাহে আপনার কী কী শাকসবজি খাওয়া হয়। খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজির পরিমাণ বাড়ান।
পছন্দনীয় ও স্বাস্থ্যকর পরিকল্পনা
ভালো খাবার আমাদের সব রকমের অনুভূতি ও চেতনাকে উদ্দীপিত করে। কারণ এ রকম খাবার দেখতে সুন্দর, সুবাস ছড়ায় এবং স্বাদেও অতুলনীয়। সব মিলিয়ে আমাদের পরিতৃপ্তি দিতে পারে। অনেক সময় ভালো খাবারের কথা ভাবলেই আনন্দময় অনুভূতি তৈরি হয়।

বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫


প্রতিদিনের যে ৫টি কাজ কমিয়ে দিচ্ছে আপনার নিজের বুদ্ধি।

(বেক্তিগত স্বাস্থ্য সম্মত ডাক্তার) বুদ্ধি কম মানুষকে সকলেই একটু করুণার চোখে দেখে থাকেন। কোনো না কোনো সময়ে আপনি নিজেও বুদ্ধি কম মানুষকে নিয়ে হাসাহাসি করেছেন। কিন্তু আপনি জানেন কি? আপনার প্রতিদিনের কিছু কাজ আপনার অজান্তেই আপনার বুদ্ধি কমিয়ে দিচ্ছে? যদি এই কাজগুলো আপনি নিয়মিত করেই যান তাহলে বুদ্ধি কম মানুষের কাতারে আপনাকেও দাঁড়াতে হতে পারে। তাই আইকিউ কমাতে না চাইলে এই কাজগুলো করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন আজ থেকেই।
১) অতিরিক্ত চিনি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া
অতিরিক্ত চিনি এবং চিনি সমৃদ্ধ খাবার শুধু আপনার ওজন বাড়িয়েই থেমে থাকে না, এই কাজটি আপনার মস্তিষ্কের টিস্যু ড্যামেজ করতে থাকে। ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার একটি গবেষণায় দেখা যায় টানা ৬ সপ্তাহ একই ধরণের চিনি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার অভ্যাস আপনার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা একেবারেই কমিয়ে দেয়। যার প্রভাব দেখা যায় আপনার স্মৃতিশক্তি, চিন্তা করার ক্ষমতা এবং মনোযোগ প্রদানের উপর। তাই আজ থেকেই অতিরিক্ত চিনি খাওয়া একেবারেই কমিয়ে নিন।
২) ধূমপান করা ও ধূমপায়ীর সাথে বন্ধুত্ব
নিকোটিন ধিরে ধিরে মস্তিষ্কের কোষ নষ্ট করতে থাকে যার কারণে ধূমপায়ীদের অনেককেই খুব অল্প বয়সে স্মৃতিশক্তি নষ্ট হতে দেখা যায়। অনেকে বলেন ধূমপান করার ফলে সৃজনশীল কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে, সে কারণে গায়ক, আঁকিয়ে, লেখক ধরণের মানুষকে বেশী ধূমপান করতে দেখা যায়। কিন্তু এটি পুরোপুরি ভ্রান্ত ধারণা। বরং ধূমপানের ফলে আপনার সৃজনশীলতা কমতে থাকে এবং আইকিউ কমে যায়। এছাড়াও আপনার যদি ধূমপায়ী বন্ধু থাকে এবং তারা আপনার পাশেই ধূমপান করতে থাকেন অনবরত, তাহলে আপনি নিজে ধূমপায়ী না হয়েও একই সমস্যায় পড়ে নিজের বুদ্ধি এবং সৃজনশীলতা হারিয়ে ফেলবেন। সুতরাং সতর্ক হোন।
৩) একসাথে কয়েকটি কাজ করা
আপনি যদি একসাথে ২-৩ টি কাজ করে গর্ব বোধ করতে থাকেন নিজের ট্যালেন্ট নিয়ে তাহলে আপনি সবচাইতে বড় বোকামি করছেন। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় দেখা যায় আপনি জখন একসাথে বেশ কয়েকটি কাজ করতে থাকেন তখন মস্তিষ্কের উপরে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, কারণ আপনার চিন্তা এবং মনোযোগ কয়েক ভাগে বিভক্ত থাকে। আর এই কারণে মস্তিষ্ক নিজের কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে। যার ফলে আপনার মস্তিষ্কের স্থায়ী ক্ষতি হয় এবং চিন্তা করার ক্ষমতা কমে যায়। তাই একটি কাজই করুন এক সময়ে।
৪) মোটা হয়ে যাওয়া
অনেকেই ভাবতে পারেন মোটা হওয়ার সাথে বুদ্ধি কমার কি সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু গবেষণায় প্রমাণিত যে, যারা অনেক বেশী মোটা তারা সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশী ডিমনেশিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন, এছাড়াও চিন্তা করার ক্ষমতা কমে যেতে দেখা যায়। এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় মেদ জমার কারণে মস্তিষ্কে অক্সিজেন ও রক্ত সঞ্চালনে বাধার সৃষ্টি হয় বলেই এই সমস্যা দেখা দেয়।
৫)মানসিক চাপ
অতিরিক্ত মানসিক চাপ নেয়ার কারণে আপনার আইকিউ কমে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কারণ মানসিক চাপের কারণে মস্তিষ্কের নিউরনে অতিরিক্ত চাপ পড়ে থাকে যার ফলে স্থায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয় মস্তিষ্কের টিস্যু। মানসিক চাপের কারণেই অনেকে অ্যালঝেইমার রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।